মালয়েশিয়ায় করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হলেও থেমে নেই ইমিগ্রেশন, রুমে রুমে তল্লাশী চলছে কুয়ালামাপুরে।

0

পুরো মালয়েশিয়া যখন করোনা ভাইরাসে মহা আতংকের মধ্যে রয়েছে, তখনও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন দেশটিতে থাকা অবৈধদের ধরতে বিদেশী নাগরিক বেশি থাকে এমন এপার্টমেন্ট গুলোর

প্রতিটি রুমে রুমে গিয়ে তল্লাশী অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে
বিশেষ করে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ও পেনাং রাজ্যের ইমিগ্রেশন ইউনিট খুবই বেশি তৎপর। করোনা পরিস্থিতি দিনে দিনে ভয়ানক অবস্থা ধারণ করলেও থেমে নেই ইমিগ্রেশন অপারেশন টিম, তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে রুমে রুমে তল্লাশী অভিযান চালাচ্ছে৷

গত বৃহস্পতিবার ১২ই মার্চ রাত ৯.৩০ টায় OPS বেরেসপাদু নামে একটি অপারেশন পরিচালনা করে করেছেন ফেডারেল টেরিটরি কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন শাখার অপারেশন টিম জালান বুকিত বিনতাং এর হোটেল প্যারিসে গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালায় সেখান থেকে ৭ জনকে যাচাই-বাছাই করে ৩ জন তরুণীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ইমিগ্রেশন বিভাগ। এরপরে একইদিনে

রাত ১১.৩০ এ ফেডারেল টেরিটরি কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন শাখার অপারেশন টিম কুয়ালালামপুরের সুংগাই বেসি, ওয়াংসা মেলাওয়াতি, চেরাসে পৃথক ৩ টি অভিযান চালায়। এই অভিযানে বসতবাড়ি গুলোকে টার্গেট করা হয়েছিল আগে থেকেই। রাত সাড়ে ১১তা থেকে ২ টা পর্যন্ত চলে এই অভিযান। ৩ টি জায়গায় সর্বমোট ২৭ জনকে বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করার জন্য প্রাথমিকভাবে আটক করা হয়। পরে সেখান থেকে ১৫ জনকে গ্রেফতার করে বাকিদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এই ১৫ জনের মধ্যে

আরও পড়ুন  

ভিন্ন কৌশলে গোয়েন্দা টিম, মালাই নাগরিকদের কাছ থেকে কৌশলে তথ্য নিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। গ্রেফতার৩৬ জন।

১৩ জনই বাংলাদেশী নাগরিক। এদিকে গত ১১ই মার্চ বুধবার কুয়ালালামপুর অপারেশন টিম কুয়ালালামপুরে পুলিশের সহযোগিতায় জিনজাং পুলিশ স্টেশনের আশেপাশের বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১০০ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশী ৭ জনসহ মোট ২৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে গত ৬ দিনে মালয়েশিয়ায় অস্বাভাবিকভাবে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে মালয়েশিয়ায় তীব্র আতংক সৃষ্টি হয়। সরকার থেকেও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা। কিন্তু ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে ধড়-পাকড় অভিযান চলছেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here