পাওন বেতন আদায়ের জন্য WRP ফ্যাক্টরি তে আবারও বিক্ষোভ মিছিল, ৫৭ জনকে দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

0
আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগ নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকে আসা। এই কোম্পানিটি সম্প্রতি তাদের আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় যার ফলে শ্রমিকরা দিশেহারা ও হতাশার মধ্যে পড়ে যায়। সম্প্রতি কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধের অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে খুবই উদ্বেগ ও চরম হতাশা লক্ষ্য করা গেছে।  এই পরিস্থিতিতে WRP ASIa Pacific এর কয়েকশত শ্রমিক ও কর্মচারী তাদের বেতন এবং কর্মসংস্থানের বিষয়ে জানার জন্য কারখানার সামনে জড়ো হয়।আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগ নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকে আসা। এই কোম্পানিটি সম্প্রতি তাদের আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় যার ফলে  শ্রমিকরা দিশেহারা ও হতাশার মধে পড়ে যায়।
WRP ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা বেতন আদায়ের জন্য জড়ো হয়

প্রতিবেদনঃ মোঃ সারোয়ার হোসেন (অভিবাসী কন্ঠ)
তারিখঃ ০৮/০১/২০২০

আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগ নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকে আসা। এই কোম্পানিটি সম্প্রতি তাদের আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় যার ফলে শ্রমিকরা দিশেহারা ও হতাশার মধ্যে পড়ে যায়।
সম্প্রতি কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধের অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে খুবই
উদ্বেগ ও চরম হতাশা লক্ষ্য করা গেছে।  এই পরিস্থিতিতে WRP ASIa Pacific এর কয়েকশত শ্রমিক ও কর্মচারী তাদের বেতন এবং কর্মসংস্থানের বিষয়ে জানার জন্য কারখানার সামনে জড়ো হয়।আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগ নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকে আসা। এই কোম্পানিটি সম্প্রতি তাদের আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় যার ফলে

শ্রমিকরা দিশেহারা ও হতাশার মধে পড়ে যায়।
 আন্দোলনকারীরা ফ্যাক্টরির লবির কাছে পার্কিং লটেরসামনে জড়ো হয়ে তাদের দাবী দাওয়া আদায়ের জন্য প্রস্তাব দেয়। কোম্পানির ব্যবস্থাপনার একজন প্রতিনিধি শ্রমিকদের আগামীকাল পর্যন্ত সময় দেওয়ার জন্য রাজি করিয়েছেন, সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে শ্রমিকরা কয়েক ঘন্টা অপেক্ষার পরে বিকেল ৫ টার দিকে ফিরে যায়। সূত্রটি আরও প্রকাশ করেছে যে, দুর্ভোগের স্বীকার শ্রমিকদের অবস্থান নিয়ে আরও আলোচনা করতে আগামীকাল বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করে কিভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে। বোঝা যায় যে শ্রমিকদের দাবির একটি অংশের মধ্যে তাদের বকেয়া মজুরি নিষ্পত্তির জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যম মালয়েশিয়াকিনি কর্তৃক পর্যবেক্ষণ করা একটি নথি অনুসারে, নেপালের ৫৭ জন কর্মীর জন্য বিমানের টিকিট জানুয়ারী এবং ১৩ জানুয়ারি বুকিং করা হয়েছে। এতে বুঝা যায় যে ডাব্লুআরপি ফ্যাক্টরি আবার চালু হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে শ্রমিকদের একটি অংশ দাবী জানিয়েছে যে তাদেরকে যেন কাজের ব্যবস্থা করে দেয়া কারণ ফ্যাক্টরির উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলেও প্যাকিং, শিপিং এবং অন্যান্য সেকশনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।  তাই তাদের দাবি যে অনান্য সেকশন গুলোতে তাদের পুনরায় কর্মসংস্থান করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here