ইমিগ্রেশন অভিযানের সময় অসুস্থ রোগীকে চিকিৎসা দিলেন ইমিগ্রেশন টিম । পড়ুন বিস্তারিত। অভিবাসী কন্ঠ।

0

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন ২০২০ সালের শুরুতেই মালয়েশিয়াতে অবৈধভাবে অবস্থানের সংখ্যা জিরোতে নিয়ে আসার ঘোষণা দেন। এই লক্ষ্যে চলতি বছরের মধ্যেই ৭০ হাজার অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করার করার টার্গেট নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে ইমিগ্রেশনসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ইমিগ্রেশন অভিযানের সময় ইমিগ্রেশন সদস্যদের হাত থেকে বাঁচতে অবৈধরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে থাকেন। দৌড়ে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হন, কেউ ভবন থেকে লাফ দেন, আবার কেউ কেউ মাঝেমধ্যে  ইমিগ্রেশন অফিসারদের কাছে আটক হওয়ার ভয়েই অজ্ঞান হয়ে যায়। মালয়েশিয়ায় ইন্দোনেশিয়ান নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি পরিবার পরিজন সন্তান সন্ততি নিয়ে অবৈধভাবে বসবাস করে ও জীবিকা নির্বাহ করে। এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে। মালয়েশিয়ার

ইমিগ্রেশন সদস্যদের পেইজে একটি ভিডিও দেয়া হয়েছিল যেখানে একজন ইন্দোনেশিয়ানকে অপারেসি বা অভিযানের সময় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পাশে ২ জন ইন্দোনেশিয়ান মহিলাকে হাতকড়া পড়িয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। সাথে একজন শিশুও ছিল। অবৈধভাবে বসবাস করার মাধ্যমে নিজেদের বিপদ ও একটি বাচ্চা শিশুকে অনিশ্চিত জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে৷

এই ভিডিওটির মাধ্যমে ইমিগ্রেশন এর বার্তা হচ্ছে যে, আপনি যে অবস্থাতেই থাকুন ইমিগ্রেশন আইনের পরিপন্থী কাজ করলেই গ্রেপ্তার হবেন এটাই স্বাভাবিক। ইমিগ্রেশন সদস্যরা বলেছেন এই ধরনের ঘটনা দুঃখজনক হলেও আমরা প্রায় এগুলো ঘটতে দেখি যা আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়। অভিযানের সময় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেয়ার জন্য চিকিৎসক দল আমাদের সাথেই থাকে। সুতরাং আপনি অবৈধ থেকে অসুস্থ হলেও গ্রেফতার হতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here